মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

উপজেলা কৃষি অফিস

প্রতিটি উপজেলায় একটি করে উপজেলা কৃষিঅফিসরয়েছে। এই অফিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলা পর্যায়ে উপ-পরিচালক এবং অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালকের অধীন পরিচালিত। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একাধিক কৃষি অফিস আছে, যা “মেট্রো কৃষি অফিস” নামে পরিচিত।  দপ্তরপ্রধানেরপদবী: উপজেলা কৃষি অফিসার  কার্যক্রম: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি মিশন রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসু ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তর ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। আওতাধীনঅফিস: প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যেক ব্লকে একজন করে “উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা” কর্মরত আছেন যারা ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত কক্ষে বসে কৃষকদের চাহিদা মাফিক কৃষি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন  বা অনান্য মেট্রো অফিসের কৃষি পরামর্শ কেন্দ্রে বসে কৃষকদের চাহিদা মাফিক কৃষি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। এছাড়া নিয়মিত ভিজিট সিডিউল অনুযায়ী দলীয় ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে কৃষকদেরকে সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করেন।যে সকল ইউনিয়নে ইতিমধ্যেই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স স্থাপন হয়েছে সেখানে কৃষক তথ্য প্রযুক্তি ও পরামর্শ কেন্দ্র (FIAC) চালু করা হয়েছে।

 

উপজেলা কৃষি অফিসারের দায়িত্ব:

 

  • ১)   কৃষকের  তথ্য চাহিদা নিরুপণ নিশ্চিত করা।
  • ২)   মান সম্মত সম্প্রসারণ কর্মসূচি তৈরী করা।
  • ৩)   কৃষক এবং কারিগরী ষ্টাফদের জন্য প্রশিক্ষণ সামগ্রী তৈরী করা।
  • ৪)   ব্লক পর্যায়ে যে সব সমস্যা ডিএই সমাধান করতে পারছে না তা টিএইসিসি এর মাধ্যমে অন্যান্য সহযোগী সংস্থাকে অথবা জেলার  বিশেষজ্ঞদের জানানো।
  • ৫)   কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকারীসহ উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সমিতি ও অন্যান্য সংস্থার সাথে যোগসূত্র রক্ষা  করা।
  • ৬)   শস্য বহুমুখীকরণ, সম্প্রসারণ পদ্ধতি, উপকরণ ও ঋণ সরবরাহ এবং কৃষকদের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর ইত্যাদি বিষয়ে উপ-সহকারী  কৃষি কর্মকর্তাদের উন্নতমানের পরামর্শ দেয়া।
  • ৭)  মাঠ পর্যায়ে বিবিধ অনুষ্ঠানে ( যেমন-চাষী র‌্যালি, মাঠ দিবস, উদ্ধুদ্ধকরণ ভ্রমণ) উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তা দান করা।
  • ৮)  উপজেলা পর্যায়ের সম্প্রসারণ কর্মকান্ড (যেমন- কৃষি মেলা, কৃষক প্রশিক্ষণ) পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা।
  • ৯)   টিএইসিসি এর মাধ্যমে অন্যান্য সম্প্রসারণ সেবা দানকারীদের সংগে সম্পর্ক ও কাজের সমন্বয় করা।
  • ১০)  উপজেলা পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠান ও পরিচালনা করা।
  • ১১)  ষ্টাফদের প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরুপণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।
  • ১২)  পাক্ষিক উপজেলা প্রশিক্ষণ দিবস পরিকল্পনা ও আয়োজন করা।
  • ১৩)  পাক্ষিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা সভা ও মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাজকর্ম পরিবীক্ষণ নিশ্চিত করা।
  • ১৪)  উপজেলা পর্যায়ে সেমস ও ক্যাপ ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় করা।
  • ১৫)   ডিইপিসি এবং অন্যান্য সভায় অন্তত একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার যোগদান নিশ্চিত করা।
  • ১৬)   উপজেলার বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং সময়মতো হিসাব নিকাশ নিশ্চিত করা।
  • ১৭)  উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জরুরী আপৎকালীন তথ্যসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ এবং তা যথাযথ ফরমে জেলা, অঞ্চল বা সদর দপ্তরে প্রেরণ করা।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter